সর্বশেষ পোস্টগুলো

Previous
Next

সর্বশেষ

ad728
রবি বন্ধ সিম অফার- ২০১৯

রবি বন্ধ সিম অফার- ২০১৯

রবি বন্ধ সিম অফার -২০১৯ l

Return to Robi’s 4.5G Network and enjoy.



তো,বন্ধুরা...... 
আজই আপনার বন্ধ রবি নাম্বারটি চালু করুন, আর উপভোগ করুন এই দূর্দান্ত অফার!!!
আপনি অফারের আওতাভূক্ত হলে,আপনি নিতে পারেন -
3GB with 60 minutes @BDT 48 recharge
  • 3GB (2GB for any use + 1GB for 4G use only)
  • 60 minutes for using any local number
  • Validity 7 days 
  • For checking data balance please dial *3#
  • For checking minutes please dial *222*2#
  • You can purchase the offer as many times as possible

Offer Eligibility
  • To check eligibility, you can send free SMS from any Robi number in the following format: A018XXXXXXXX to 8050 or can dial *8050#, put silent number and follow the instruction.
  • Customer/Agent can check the offer through Robi Website or My Robi Apps
  • Retailer can check the offer through *999#
    Terms
    • You can purchase both offer as many times as possible within the campaign period
    • Robi can close or add/remove conditions of the offer at any time with proper permission from concerned authority
    • Offer is valid till further notice
      এই লিংক থেকে রবির ওয়েবসাইটে গিয়েও আপনার বন্ধ সিমের নাম্বার লিখে চেক করতে পারেন,আপনি এই অফার এর আওতায় আছেন কি।। 

      আপনার অন্যান্য প্রয়োজনীয় লিংক:-



      টরেন্ট কি? কিভাবে টরেন্ট ডাউনলোড করতে হয়।

      টরেন্ট কি? কিভাবে টরেন্ট ডাউনলোড করতে হয়।

      আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তথা ইন্টারনেট থেকে কোন ফাইল ডাইনলোড করি,তারা সকলেই Torrent সম্পর্কে শুনেছি বা কিছুটা হলেও জানি। আজ আমরা  টরেন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
      টরেন্ট কি ? 
      কিভাবে কাজ করে ?
      কিভাবে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করবেন ? 
      প্রথমেই আসা যাক টরেন্ট কি সে কথায়। এক কথায় টরেন্ট হচ্ছে একটি ফাইল শেয়ারিং প্রোটোকল। সাধারণত আমরা যে ফাইলগুলো ডাউনলোড করি সেগুলো কোন না কোন সার্ভারে আপলোড করা থাকে।আমরা সেই সার্ভার থেকে ডাউনলোড করি।কিন্তু  টরেন্ট একটু আলাদা। টরেন্টের বেলায় ফাইলগুলো এক ইউজারের পিসি থেকে অন্য ইউজারের পিসিতে ট্রান্সফার হয়। অর্থাৎ আপনি যখন একটি ফাইল ডাউনলোড দেবেন, তখন তা অন্য কারো পিসি থেকে ডাউনলোড হবে এবং অন্য কেউ যখন সেই ফাইল ডাউনলোড দেবে তখন তা আপনার পিসি থেকে ডাউনলোড হবে। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে বলা হয় P2P ফাইলে শেয়ারিং নেটওয়ার্ক। আর এ জন্য টরেন্ট নেটওয়ার্কে শেয়ার করা ফাইলগুলোকে অনেক ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেলা হয়। আপনি চাইলে আপনার ডাউনলোড শেষ হওয়ার পরও সেটি শেয়ারে দিয়ে রাখতে পারেন তখন সেটাকে বলা হয় সিড করা। 


      টরেন্ট কি বা কিভাবে কাজ করে তার আগে জানা দরকার টরেন্ট দিয়ে হয়টা কি। টরেন্ট মূলত ব্যবহার করা হয় ডাউনলোড করার কাজে। গতানুগতিক ডাউনলোড থেকে টরেন্ট একটু অন্যভাবে কাজ করে। ব্যাপারটাকে অনেকটা ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে দেয়া কোন ডাউনলোডের সাথে তুলনা করা যায়। তুলনাটা এই অর্থে যে এটি রিজিউম করা যায়। কথা হচ্ছে টরেন্ট দিয়ে কি ডাউনলোড করা যায়। আমি নিজে মনে করি টরেন্ট দিয়ে ডাউনলোড করা যায় না বলতে কিছু নেই। যে কোন মুভি, সফটওয়্যার, বই এর পিডিএফ ভার্সন সবই পাওয়া যায়।
      https://userscloud.com/4z1k61ca3cj3
      উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করুন সহজে-সফটওয়্যার বা প্রোডাক্ট কি ছাড়াই [Windows10 activation without any software or product key]

      উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করুন সহজে-সফটওয়্যার বা প্রোডাক্ট কি ছাড়াই [Windows10 activation without any software or product key]

      কোন Software অথবা কোন Product key ছারাই Windows 10 এর যেকোন  Edition[Home,Professional,Education ইত্যাদি] মাত্র ২ মিনিটে এক্টিভ করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন।আর সারা জীবনের জন্য আপনার Windows এক্টিভ করে নিন [১০০% ফ্রী ][১০০% কার্যকরী]

      • ধাপ ১:-
      প্রথমে যেকোন একটি ব্রাউজার Open করে bit.ly/windows10txt এই লিংকে চলে যান।কিছু text দেখতে পাবেন।

      • ধাপ ২:-
      Ctrl+A চেপে text গুলো সিলেক্ট করে Copy করে নিয়ে New text document এ Paste করুন । এরপর ফাইলটিকে যেকোন নাম দিয়ে .Cmd ফাইল হিসেবে সেভ করুন ।

      • ধাপ ৩ :-
      এর পর cmd ফাইলটিতে Right click করে run as administrator এ ক্লিক করুন ।
      ব্যাস ।।। এবার মজা দেখুন । এবার আপনার Windows এক্টিভ হয়ে গেছে। 
      Enjoy ........
      এরপরেও প্রয়োজন মনে করলে নিচের ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন......
       😍😍😍😍

      ভাল থাকেন....... আজ এ পর্যন্তই......
      লেখাটি + ভিডিওটি ভাল লাগলে বা এতটুকু উপকারে আসলে , দয়া করে একটা Like ,Comment, Share করতে কার্পন্য করবেন না।আপনাদের পরামর্শমুলক মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।
      ড্রাইভিং লাইসেন্স ® [পর্ব-১] [ Leraner/শিক্ষানবিশ DL ]

      ড্রাইভিং লাইসেন্স ® [পর্ব-১] [ Leraner/শিক্ষানবিশ DL ]

      ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চালকের লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা শুরু করার পর থেকে গাড়ি চালানোর অনুমতি (ড্রাইভিং লাইসেন্স)পেতে এবং যানবাহনের কাগজপত্র নবায়ন করতে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির(BRTA)কার্যালয়ে হঠাৎ ভীড় বেড়ে গেছে।  অনেকে আছে যারা জানেন না ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কী করতে হয়।

      Learner Driving License বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স হল ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত।
      তাই গ্রাহককে প্রথমে Learner DL-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে।

      শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স(Leraner DL) এর আবেদন প্রক্রিয়াঃ-
      গ্রাহককে তার স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানা(প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ) বিআরটিএ যে সার্কেলের আওতাভূক্ত তাকে সেই সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। সার্কেল অফিস কর্তৃপক্ষ তাকে একটি শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে যা দিয়ে আবেদনকারী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।(নিচে একটি Lerner DL এর অনুলিপি দেয়া হল)।

      মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ফিল্ড টেস্ট- অংশ গ্রহণ করতে হবে। এসময় প্রার্থীকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স (মূল কপি) লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কলম সাথে আনতে হবে। 
      ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার বয়সঃ-
      পেশাদার ঃ নূন্যতম ২০বছর 
      অপেশাদারঃ নূন্যতম ১৮ বছর।

      Learner/শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

      ১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
      ২।রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
      ৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি।
      ৪। নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি-৩৪৫/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে (ব্যাংক এর তালিকা www.brta.gov.bd –তে পাওয়া যাবে) জমাদানের রশিদ।
      ৫। সদ্য তোলা ০১ কপি পাসপোর্ট ০৩ কপি স্ট্যাম্প সাইজের  ছবি।

      লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী: 

      (ক) ০১ (এক) ক্যাটাগরি-৩৪৫/-টাকা (শুধু মোটরসাইকেল অথবা শুধু হালকা মোটরযান অর্থাৎ যে কোনো এক ধরণের মোটরযান)
      (খ) ০২ (দুই) ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা  (মোটরসাইকেল এবং হালকা মোটরযান একসাথে অর্থাৎ মোটরসাইকেলের সাথে যে কোনো এক ধরণের মোটরযান)
      নির্বাচনের  বিভিন্ন তথ্য নিয়ে 'সংসদ নির্বাচন' অ্যাপ

      নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে 'সংসদ নির্বাচন' অ্যাপ


      বাংলাদেশি সফটওয়্যার ফার্ম লোটাস টেকনোলজিস "সংসদ নির্বাচন' নামক একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপ চালু করেছে।
      অ্যাপটি Google play store
      এ পাওয়া যাচ্ছে। তাছারাও তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট এ পাওয়া
      যাবে এটি।
      এটিতে ১৯৭০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সবগুলো সংসদ নির্বাচনের নির্বাচিত, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট, দলের নাম ও প্রতীকসহ বিভিন্ন তথ্য এবার খুব সহজেই পাওয়া যাবে। 
      ইন্টারনেট ছাড়াই সকল সংসদ নির্বাচনসমূহের প্রতিটি নির্বাচনের ৩০০ আসনের তথ্য এই অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে।
      তবে হ্যা, এটি ফ্রী নয় । আপনাকে এজন্য গুনতে হবে মাত্র ১০০ টাকা।
      অ্যাপটিতে প্রতিটি আসনের সকল ভোট কেন্দ্রভিত্তিক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট, দলের নাম ও প্রার্থীর প্রতীকসহ বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া আছে অ্যাপে। সবগুলো স্ক্রিনেই রয়েছে সার্চ, বুকমার্ক ও ফিল্টার করার সুবিধা।  
      সময়ের সাথে সাথে অ্যাপটিতে নতুন নতুন তথ্য ও সমীক্ষা যুক্ত করা হবে।  
      অ্যাপ নির্মাতাদের বিশ্বাস, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কর্মী, গবেষক, ইতিহাসবিদ এবং আগ্রহী নাগরিকগণকে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্যের প্রয়োজন মেটাতে এটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

      #প্রথমে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিবেন।এর পর অ্যাপটি ওপেন করলে আপনার নাম আর মোবাইল নাম্বার চাইবে।(নিচের চিত্রের ন্যায়)। এখানে আপনার নাম ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে 'জমা দিন' অপশনে ক্লিক করুন।


      # এর পর পরবর্তী পেজে আপনার পেমেন্ট গেটওয়ে আসবে। মানে,আপনি ১০০ টাকা কিভাবে পে করবেন।মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধমে আপনি পে করতে পারবে। 
       এখানে আপনি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ১৯৭০ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সকল সংসদ নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য পাবেন। এখানে প্রতিটি টি আসন ও ভোট কেন্দ্রের বিস্তারিত যে সকল তথ্য রয়েছে তা নিম্নরুপঃ

      প্রতিটি নির্বাচনের আসন ভিত্তিক বিস্তারিত তথ্যঃ
      * আসনের নাম, নির্বাচনী এলাকার নম্বর এবং নির্বাচন এর বছর৷
      * আসনের মোট ভোট, প্রদত্ত ভোট, অবৈধ ভোট৷
      * আসনের বিজয়ীর নাম, ছবি, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
      * আসনের দ্বিতীয় প্রার্থীর নাম, ছবি, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
      * আসনের তৃতীয় প্রার্থীর নাম, ছবি, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷

      প্রতিটি আসন ভিত্তিক ভোট কেন্দ্রের বিস্তারিত তথ্যঃ
      * ভোট কেন্দ্রের নাম, আসন এর নাম, এবং নির্বাচন এর সাল৷
      * ভোট কেন্দ্রের মোট ভোট, প্রদত্ত ভোট ও অবৈধ ভোট৷
      * ভোট কেন্দ্রের বিজয়ীর নাম, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
      * ভোট কেন্দ্রের দ্বিতীয় প্রার্থীর নাম, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
      * ভোট কেন্দ্রের তৃতীয় প্রার্থীর নাম, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷

      এছাড়াও এখানে পাবেনঃ
      * অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে সহজ এবং নমনীয় অনুসন্ধান এর সুবিধা৷
      * অ্যাপ্লিকেশন এর মধ্যে সহজ প্রবেশাধিকার এর জন্য বুকমার্ক৷
      ------------------

      সফটওয়্যার ডাউনলোডের কয়েকটি ভাল সাইট!!

      সফটওয়্যার ডাউনলোডের কয়েকটি ভাল সাইট!!

      কম্পিউটার ব্যবহার করা ছাড়াও আমরা সকলেই Software শব্দটির সাথে পরিচিত।আমরা নানা প্রয়োজনে অথবা অপ্রয়োজনে শখেও নানা রকম সফটওয়্যার ডাউনলোড করে থাকি। সকলেরই নতুন বা ব্যতিক্রম কোন সফটওয়্যার পেলে বা শুনলেই তা ডাউনলোড করি। এ ক্ষেত্রে google এ সার্চ করে থাকি কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যারটি। নানা সাইট এসে হাজির হয় সার্চ রেজাল্ট পেজে।  কোন সাইট থেকে ডাউনলোড করবেন! ! এ নিয়ে অনেককেই পরতে হয় বিপাকে। আজ আপনাদের জন্য এ রকম কিছু ভাল সাইটের লিংক নিয়ে আজকের পোস্ট।
      (1).  Softpedia 
      (2).  Softonic
      (3).  Brothersoft 
      (4).  Cnet
      (5).  Download3k
      (6).  Download A to Z
      সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
      লেখাটি আপনার একটুও উপকারে আসলে, দয়া করে মন্তব্য করতে ভুলবেন না।  
      কম্পিউটারের[Ram]গতি বাড়ান টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ করে।

      কম্পিউটারের[Ram]গতি বাড়ান টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ করে।

      "PC SLOW!!!" PC SLOW!!!" এটা প্রায় প্রতিটা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন সমস্যা। Temoporary Files ও Junk Files এ সমস্যার অন্যতম কারন।কম্পিটার ব্যবহারের ফলে অনেক বেশি বেশি পরিমাণে Temporary  ও Junk ফাইল জমা হয়ে যায়।
       [একটু বলে নিচ্ছি Temorary File কি? কম্পিউটারে কাজ করার সময় কম্পিউটার তার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ফাইলের Copy তৈরি করে নেয়। এই কপিগুলো কাজে না লাগলেও তা কম্পিউটারেই থেকে যায় ।এই ফাইলগুলোকেই Temporary File বলে।]
      এভাবে অনেক ফাইল জমে গেলে ধীরে ধীরে কম্পিউটার শ্লো হয়ে যায়।
      এই টেম্পোরারি ফাইল গুলো Delete করে আপনার কম্পিউটারকে কিভাবে গতিশীল করবেন,তা নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে।
      টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ করার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবেঃ
      টেম্পোরারি ফাইল মুছতে কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং ‘R’ বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে টাইপ করুন ‘temp’, এরপর Enter চাপুন। নতুন উইন্ডোতে টেম্পোরারি ফাইলগুলো প্রদর্শিত হলে ‘ctrl’ এবং ‘A’ একসাথে চেপে সব সিলেক্ট করুন। ‘Delete’ বাটন প্রেস করুন। মুছে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে ‘Continue’ দিন। কোনো ফাইল চালু অবস্থায় থাকলে তা অপসারণ করা যাবে না জানিয়ে বার্তা এলে ‘Skip’ বাটন প্রেস করুন।