সর্বশেষ পোস্টগুলো

Previous
Next

সর্বশেষ

ad728
ড্রাইভিং লাইসেন্স ® [পর্ব-১] [ Leraner/শিক্ষানবিশ DL ]

ড্রাইভিং লাইসেন্স ® [পর্ব-১] [ Leraner/শিক্ষানবিশ DL ]

ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চালকের লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা শুরু করার পর থেকে গাড়ি চালানোর অনুমতি (ড্রাইভিং লাইসেন্স)পেতে এবং যানবাহনের কাগজপত্র নবায়ন করতে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির(BRTA)কার্যালয়ে হঠাৎ ভীড় বেড়ে গেছে।  অনেকে আছে যারা জানেন না ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কী করতে হয়।

Learner Driving License বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স হল ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত।
তাই গ্রাহককে প্রথমে Learner DL-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স(Leraner DL) এর আবেদন প্রক্রিয়াঃ-
গ্রাহককে তার স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানা(প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ) বিআরটিএ যে সার্কেলের আওতাভূক্ত তাকে সেই সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। সার্কেল অফিস কর্তৃপক্ষ তাকে একটি শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে যা দিয়ে আবেদনকারী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।(নিচে একটি Lerner DL এর অনুলিপি দেয়া হল)।

মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ফিল্ড টেস্ট- অংশ গ্রহণ করতে হবে। এসময় প্রার্থীকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স (মূল কপি) লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কলম সাথে আনতে হবে। 
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার বয়সঃ-
পেশাদার ঃ নূন্যতম ২০বছর 
অপেশাদারঃ নূন্যতম ১৮ বছর।

Learner/শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
২।রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি।
৪। নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি-৩৪৫/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে (ব্যাংক এর তালিকা www.brta.gov.bd –তে পাওয়া যাবে) জমাদানের রশিদ।
৫। সদ্য তোলা ০১ কপি পাসপোর্ট ০৩ কপি স্ট্যাম্প সাইজের  ছবি।

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী: 

(ক) ০১ (এক) ক্যাটাগরি-৩৪৫/-টাকা (শুধু মোটরসাইকেল অথবা শুধু হালকা মোটরযান অর্থাৎ যে কোনো এক ধরণের মোটরযান)
(খ) ০২ (দুই) ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা  (মোটরসাইকেল এবং হালকা মোটরযান একসাথে অর্থাৎ মোটরসাইকেলের সাথে যে কোনো এক ধরণের মোটরযান)
নির্বাচনের  বিভিন্ন তথ্য নিয়ে 'সংসদ নির্বাচন' অ্যাপ

নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে 'সংসদ নির্বাচন' অ্যাপ


বাংলাদেশি সফটওয়্যার ফার্ম লোটাস টেকনোলজিস "সংসদ নির্বাচন' নামক একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপ চালু করেছে।
অ্যাপটি Google play store
এ পাওয়া যাচ্ছে। তাছারাও তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট এ পাওয়া
যাবে এটি।
এটিতে ১৯৭০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সবগুলো সংসদ নির্বাচনের নির্বাচিত, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট, দলের নাম ও প্রতীকসহ বিভিন্ন তথ্য এবার খুব সহজেই পাওয়া যাবে। 
ইন্টারনেট ছাড়াই সকল সংসদ নির্বাচনসমূহের প্রতিটি নির্বাচনের ৩০০ আসনের তথ্য এই অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে।
তবে হ্যা, এটি ফ্রী নয় । আপনাকে এজন্য গুনতে হবে মাত্র ১০০ টাকা।
অ্যাপটিতে প্রতিটি আসনের সকল ভোট কেন্দ্রভিত্তিক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট, দলের নাম ও প্রার্থীর প্রতীকসহ বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া আছে অ্যাপে। সবগুলো স্ক্রিনেই রয়েছে সার্চ, বুকমার্ক ও ফিল্টার করার সুবিধা।  
সময়ের সাথে সাথে অ্যাপটিতে নতুন নতুন তথ্য ও সমীক্ষা যুক্ত করা হবে।  
অ্যাপ নির্মাতাদের বিশ্বাস, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কর্মী, গবেষক, ইতিহাসবিদ এবং আগ্রহী নাগরিকগণকে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্যের প্রয়োজন মেটাতে এটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

#প্রথমে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিবেন।এর পর অ্যাপটি ওপেন করলে আপনার নাম আর মোবাইল নাম্বার চাইবে।(নিচের চিত্রের ন্যায়)। এখানে আপনার নাম ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে 'জমা দিন' অপশনে ক্লিক করুন।


# এর পর পরবর্তী পেজে আপনার পেমেন্ট গেটওয়ে আসবে। মানে,আপনি ১০০ টাকা কিভাবে পে করবেন।মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধমে আপনি পে করতে পারবে। 
 এখানে আপনি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ১৯৭০ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সকল সংসদ নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য পাবেন। এখানে প্রতিটি টি আসন ও ভোট কেন্দ্রের বিস্তারিত যে সকল তথ্য রয়েছে তা নিম্নরুপঃ

প্রতিটি নির্বাচনের আসন ভিত্তিক বিস্তারিত তথ্যঃ
* আসনের নাম, নির্বাচনী এলাকার নম্বর এবং নির্বাচন এর বছর৷
* আসনের মোট ভোট, প্রদত্ত ভোট, অবৈধ ভোট৷
* আসনের বিজয়ীর নাম, ছবি, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
* আসনের দ্বিতীয় প্রার্থীর নাম, ছবি, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
* আসনের তৃতীয় প্রার্থীর নাম, ছবি, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷

প্রতিটি আসন ভিত্তিক ভোট কেন্দ্রের বিস্তারিত তথ্যঃ
* ভোট কেন্দ্রের নাম, আসন এর নাম, এবং নির্বাচন এর সাল৷
* ভোট কেন্দ্রের মোট ভোট, প্রদত্ত ভোট ও অবৈধ ভোট৷
* ভোট কেন্দ্রের বিজয়ীর নাম, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
* ভোট কেন্দ্রের দ্বিতীয় প্রার্থীর নাম, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷
* ভোট কেন্দ্রের তৃতীয় প্রার্থীর নাম, প্রাপ্ত ভোট, প্রতীক ও দলের নাম৷

এছাড়াও এখানে পাবেনঃ
* অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে সহজ এবং নমনীয় অনুসন্ধান এর সুবিধা৷
* অ্যাপ্লিকেশন এর মধ্যে সহজ প্রবেশাধিকার এর জন্য বুকমার্ক৷
------------------

সফটওয়্যার ডাউনলোডের কয়েকটি ভাল সাইট!!

সফটওয়্যার ডাউনলোডের কয়েকটি ভাল সাইট!!

কম্পিউটার ব্যবহার করা ছাড়াও আমরা সকলেই Software শব্দটির সাথে পরিচিত।আমরা নানা প্রয়োজনে অথবা অপ্রয়োজনে শখেও নানা রকম সফটওয়্যার ডাউনলোড করে থাকি। সকলেরই নতুন বা ব্যতিক্রম কোন সফটওয়্যার পেলে বা শুনলেই তা ডাউনলোড করি। এ ক্ষেত্রে google এ সার্চ করে থাকি কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যারটি। নানা সাইট এসে হাজির হয় সার্চ রেজাল্ট পেজে।  কোন সাইট থেকে ডাউনলোড করবেন! ! এ নিয়ে অনেককেই পরতে হয় বিপাকে। আজ আপনাদের জন্য এ রকম কিছু ভাল সাইটের লিংক নিয়ে আজকের পোস্ট।
(1).  Softpedia 
(2).  Softonic
(3).  Brothersoft 
(4).  Cnet
(5).  Download3k
(6).  Download A to Z
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
লেখাটি আপনার একটুও উপকারে আসলে, দয়া করে মন্তব্য করতে ভুলবেন না।  
কম্পিউটারের[Ram]গতি বাড়ান টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ করে।

কম্পিউটারের[Ram]গতি বাড়ান টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ করে।

"PC SLOW!!!" PC SLOW!!!" এটা প্রায় প্রতিটা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন সমস্যা। Temoporary Files ও Junk Files এ সমস্যার অন্যতম কারন।কম্পিটার ব্যবহারের ফলে অনেক বেশি বেশি পরিমাণে Temporary  ও Junk ফাইল জমা হয়ে যায়।
 [একটু বলে নিচ্ছি Temorary File কি? কম্পিউটারে কাজ করার সময় কম্পিউটার তার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ফাইলের Copy তৈরি করে নেয়। এই কপিগুলো কাজে না লাগলেও তা কম্পিউটারেই থেকে যায় ।এই ফাইলগুলোকেই Temporary File বলে।]
এভাবে অনেক ফাইল জমে গেলে ধীরে ধীরে কম্পিউটার শ্লো হয়ে যায়।
এই টেম্পোরারি ফাইল গুলো Delete করে আপনার কম্পিউটারকে কিভাবে গতিশীল করবেন,তা নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে।
টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ করার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবেঃ
টেম্পোরারি ফাইল মুছতে কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং ‘R’ বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে টাইপ করুন ‘temp’, এরপর Enter চাপুন। নতুন উইন্ডোতে টেম্পোরারি ফাইলগুলো প্রদর্শিত হলে ‘ctrl’ এবং ‘A’ একসাথে চেপে সব সিলেক্ট করুন। ‘Delete’ বাটন প্রেস করুন। মুছে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে ‘Continue’ দিন। কোনো ফাইল চালু অবস্থায় থাকলে তা অপসারণ করা যাবে না জানিয়ে বার্তা এলে ‘Skip’ বাটন প্রেস করুন।
আপনার ব্লগার  ব্লগে যোগ করুন একটি  দারুন মিডিয়া উইজেট!!

আপনার ব্লগার ব্লগে যোগ করুন একটি দারুন মিডিয়া উইজেট!!

আমরা অনেকেই ব্লগিং করি।আর সকলেই জানি,ভিসিটর হল ব্লগের প্রান।তাই বেশি ভিসিটর পাওয়ার জন্য,Pge Rank ,Alexa Rank বাড়ানোর জন্য ব্লগকে Social Media তে শেয়ার করি।আর এজন্য ব্লগে নানা ধরনের Media Widgets ব্যবহার করে থাকি।আর সেই Widget যদি আকর্ষনীয় হয় তাহলে তা ভিসিটরদের আকৃষ্ট করবে।
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমনই একটি Social Media Widget। যেটা আপনি আপনার ব্লগে ব্যবহার করতে পারেন। আশা করি সকলের ভাল লাগবে।
এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে,ধাপে ধাপে তা বর্ননা করছিঃ-
  • প্রথমে Blogger এ লগইন করুন।
  • তারপর Dashboard  থেকে Layout  এ যান।
  • এরপর  ADD A GEDGET এ ক্লিক করুন।
  • একটা নতুন Window ওপেন হবে।সেখান থেকে  HTML/Javascript  এ ক্লিক করুন।
  • তারপর Javascript text box এ  নিচের কোড গুলো কপি করে পেস্ট করে দিন।

CODE:-

<style>#TB911-SNS {width: 260px;margin: 5px 20px;padding:5px;}
#TB911-SNS li {cursor: pointer;height: 48px;position: relative;
list-style-type: none;}#TB911-SNS .icon {background: #D91E76
 url('http://2.bp.blogspot.com/-Wh9jq4HrRN0/UOmHSqZDWDI/AAAAAAAAJVM/5fY5LrICi6c/s1600/NBT-Social_Button.png') 
 0 0 no-repeat;background-color: rgba(217, 30, 118, .42);border-radius: 30px;display: block;color: #141414;float:none;
 height: 48px;line-height: 48px;margin: 5px 0;position: relative;text-align: left;text-indent: 90px;text-shadow: #333 0 1px 0;
 white-space: nowrap;width: 48px;z-index: 5;-webkit-transition: width .25s ease-in-out, background-color .25s ease-in-out;
 -moz-transition: width .25s ease-in-out, background-color .25s ease-in-out;-o-transition: width .25s ease-in-out,
 background-color .25s ease-in-out;transition: width .25s ease-in-out, background-color .25s ease-in-out;
 -webkit-box-shadow: rgba(0, 0, 0, .28) 0 2px 3px;-moz-box-shadow: rgba(0, 0, 0, .28) 0 2px 3px;
 -o-box-shadow: rgba(0, 0, 0, .28) 0 2px 3px;box-shadow: rgba(0, 0, 0, .28) 0 2px 3px;text-decoration: none;}
 #TB911-SNS span:hover {visibility: hidden;}#TB911-SNS span {display: block;top: 15px;position: absolute;left: 90px;}
 #TB911-SNS .icon {color: #fafafa;overflow: hidden;}#TB911-SNS .fb {background-color: rgba(45, 118, 185, .42);
 background-position: 0 -382px;}#TB911-SNS .twit {background-color: rgba(0, 161, 223, .42);background-position: 0 -430px;}
 #TB911-SNS .google {background-color: rgba(167, 0, 0, .42);background-position: 0 -478px;}
 #TB911-SNS .pint {background-color: rgba(204, 0, 0, .42);background-position: 0 -526px;}
 #TB911-SNS .linked {background-color: rgba(0, 87, 114, .42);background-position: 0 -574px;}
 #TB911-SNS .ytube {background-color: rgba(170, 0, 0, .42);background-position: 0 -670px;}
 #TB911-SNS .rss {background-color: rgba(255, 109, 0, .42);background-position: 0 -718px;}
 #TB911-SNS li:hover .icon {width: 250px;}#TB911-SNS li:hover .icon {background-color: #d91e76;}
 #TB911-SNS li:hover .fb {background-color: #2d76b9;background-position: 0 2px;}
 #TB911-SNS li:hover .twit {background-color: #00A1DF;background-position: 0 -46px;}
 #TB911-SNS li:hover .google {background-color: #A70000;background-position: 0 -94px;}
 #TB911-SNS li:hover .pint {background-color: #C00;background-position: 0 -142px;}
 #TB911-SNS li:hover .linked {background-color: #005772;background-position: 0 -190px;}
 #TB911-SNS li:hover .ytube {background-color: #A00;background-position: 0 -286px;}
 #TB911-SNS li:hover .rss {background-color: #EC5601;background-position: 0 -334px;}
 #TB911-SNS .icon:active {bottom: -2px;-webkit-box-shadow: none;-moz-box-shadow: none;-o-box-shadow: none;}</style>
 <a rel="dofollow" title="blogger widgets" href="http://bdtechinfo.blogspot.com" target="_blank">
 <img border="0" src="http://bitly.com/24workpng1" style="margin-right:0px;" alt="widgets"/></a>
 <ul id="TB911-SNS"><li><a href="http://www.facebook.com/bdtechinfoblog" class="icon fb">Like us on Facebook</a><span>Like us on Facebook</span></li>
 <li><a href="https://twitter.com/bdtechinfo" class="icon twit">Follow us on Twitter</a><span>Follow us on Twitter</span></li>
 <li><a href="https://plus.google.com/bdtechinfo" class="icon google">Follow us on Google+</a><span>Follow us on Google+</span> </li>
 <li><a href="http://www.pinterest.com/bdtechinfo" class="icon pint">Follow us on Pinterest</a><span>Follow us on Pinterest</span> </li>
 <li><a href="http://in.linkedin.com/bdtechinfo" class="icon linked">Follow us on LinkedIn</a><span>Follow us on LinkedIn</span> </li>
 <li><a href="http://www.youtube.com/user/bdtechinfo" class="icon ytube">Follow us on Youtube</a><span>Follow us on Youtube</span> </li>
 <li><a href="http://feeds.feedburner.com/bdtechinfo" class="icon rss">Subscribe via RSS</a><span>Subscribe via RSS</span></li>
 </ul></div><div style='clear: both;'></div>

ব্লগস্পট ব্লগে টেমপ্লেট আপলোড করবেন যেভাবে

ব্লগস্পট ব্লগে টেমপ্লেট আপলোড করবেন যেভাবে

ব্লগার(blogspot/blogger.com)হচ্ছে Google এর একটি ফ্রী ব্লগিং প্লাটফরম।
অনেকেই ব্লগিং করে নিজেদের প্রতিভা ও সৃজনশীলতা প্রকাশ করছেন।আবার অনেকে ব্লগিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন,তৈরী করেছেন অনলাইনে আয়ের প্লাটফরম।
অনেকেই আছেন যারা ব্লগিং এ নতুন।তাদের জন্যই মূলত আজকের এই পোস্ট।আজ আপনাদের শিখাবো কিভাবে Blogspot ব্লগে Templet আপলোড করতে হয়।

আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে স্কীনশট সহ বিস্তারিত আলোচনা করছি। নিচের ধাপ গুলো ভালো করে অনুসরন করুন - 

ধাপ১ঃ প্রথমে আপনার Gmail ID দিয়ে ব্লগস্পটে লগ-ইন করুন।
ধাপ২ঃ তারপর আপনার কাঙ্কিত ব্লগে প্রবেশ করুন।
ধাপ৩ঃ এবার বাম দিক থেকে Templateট্যাবে ক্লিক করুন। তার পর একদম উপরে দেখুন Backup/Restore নামের আরেকটি বাটন আছে, সেটাতে ক্লিক করুন। নিচের স্কীনশটটি দেখুনঃ


ধাপ৪ঃ Backup/Restore বাটনে ক্লিক করার পর নতুন আরেকটি ফর্ম আসবে। সেখান থেকে Choose File বাটনে ক্লিক করে আপনার কাঙ্কিত টেমপ্লেটটি সিলেক্ট করুন তারপর Upload বাটনে ক্লিক করুন। নিচের স্কীনশটটি দেখুন
তাহলে হয়ে গেল আপনার ব্লগে টেমপ্লেট ইন্সটল করা।তারপরেও বুঝতে কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন।
যাত্রা শুরু হলো জিপির ০১৩ সিরিজের

যাত্রা শুরু হলো জিপির ০১৩ সিরিজের

গ্রামীনফোন ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ "০১৭" সিরিজ নিয়ে তাদের যাত্রা শুরু করেছিল।
'০১৩' সিরিজ চালু করার মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে আরো একটি সূবর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করলো গ্রামীণফোন।
রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সিরিজের নম্বর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মহাপরিচালক (ইঅ্যান্ডও) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা কামাল।
নতুন সিরিজের একটি নম্বর থেকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে প্রথম কলটি করেন গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ইয়াসির আজমান।
টেলিফোনে কথা বলার সময় মন্ত্রী বলেন, যে সাহসের সাথে আপনারা সারাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছেন তার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই, আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে এই বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের জন্য সেবার মান বজায় রাখাও আপনাদের জন্য কঠিন হবে না।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ০১৩ নম্বর সিরিজ চালু করতে পারায় গ্রামীণফোনকে অভিনন্দন জানিয়ে আশা করেন যে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের সুনাম অনুযায়ী উন্নত সেবা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
প্রসঙ্গত, গ্রামীণফোনের ০১৭ সিরিজের দশ কোটি নম্বরের বেশির ভাগই বিক্রি হয়ে যাওয়ায় নতুন নম্বর সিরিজ দেওয়ার জন্য ২০১৫ সালের শুরুতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করে। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের জন্য ০১৩ সিরিজের দুই কোটি নম্বর বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়।   
বর্তমানে বিটিআরসির হাতে ০১৩ সিরিজের নম্বর ছাড়া রয়েছে ১০ সংখ্যার ০১০, ০১২ এবং ০১৪ সিরিজের নম্বর। বরাদ্দ দেওয়া রয়েছে সিটিসেলের জন্য ০১১, টেলিকটের জন্য ০১৫, এয়ারটেলের জন্য ০১৬, গ্রামীণফোনর জন্য ০১৭, রবির জন্য ০১৮ ও বাংলালিংকের জন্য ০১৯ সিরিজের নম্বর।